রাবা চাকরি বাংলাদেশের অনেক অল্প অঞ্চলে এখনও দেখা যায়, তবে আগের মতো বেশি প্রচলিত নয়। এটি একটি ঐতিহ্যগত চাকরির ধরন যা মূলত গ্রামীণ অঞ্চলে প্রাপ্ত ছিল। রাবা চাকরি বলতে তৈলাঞ্চলের বিশেষ এক ধরনের আয়োজন বুঝাত, যেখানে মূলত গরু, বাছুর প্রভৃতি পশুর বাছি থেকে তৈল বের করা হতো, এবং তা বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতো। একসময় এই চাকরিতে অনেক লোক নিয়োগ ছিল, কিন্তু সময়ের সাথে এবং আধুনিক চাকরির সুযোগের বৃদ্ধির সাথে রাবা চাকরির অবস্থা পরিবর্তিত হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির উন্নতির সাথে এই প্রক্রিয়া অধিকাংশ স্থানে আধুনিক মেশিন দ্বারা সম্পন্ন হয়, ফলে হাতে-করায় নির্ভরশীল রাবা চাকরির সংখ্যা কমে গেছে। তাছাড়া, অন্যান্য চাকরির বাজারে অনেক সুযোগ-সুবিধা এবং উচ্চ বেতনের অধিক আকর্ষণ রয়েছে, যা লোকেদের এই চাকরি থেকে সরিয়ে নেয়। তবে, কিছু অঞ্চলে এখনও এই শিল্প বিদ্যমান আছে এবং কিছু মানুষ এটি করে থাকে।