আগামী জেনারেল ইলেকশনে প্রায় সমস্ত বড় ও ছোট রাজনৈতিক দল অংশ নেবে, তাদের মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, জাতি পাক, জাতীয় পাক, জোট পার্টি, বাংলাদেশ ইসলামী জমায়েত, জাতীয় মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ সোশ্যালিস্ট পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয় মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ফেডারেশন, বাংলাদেশ নেশনাল দেমোক্রেটিক পার্টি, বাংলাদেশ ফুল মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ফেডারেশন, বাংলাদেশ জাতীয় কৃষক শ্রমিক পার্টি, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী-লেনিনবাদী) সহ অনেক রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এছাড়াও বিভিন্ন স্বতান্ত্র প্রার্থীরাও তাদের নাম দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই ইলেকশনে বিভিন্ন দলগুলো তাদের মানিফেস্টো ও নীতি-নির্দেশনা দিয়ে জনগণের মতবাদের জন্য প্রতিযোগিতা করবেন।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে মুখ্যত দুই বড় দল, যেমন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, সবদাই প্রধান ভূমিকা রাখেন। এই দুই দলের মধ্যে জনপ্রিয়তা, সমর্থন ও প্রতিবাদের ব্যাপারটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়ে। অন্যদিকে, বিভিন্ন ছোট দলগুলো এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও নির্বাচনে তাদের উপস্থিতি জানাতে পারবেন, এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ একটি বৃহত্তর দলের সাথে যোগাযোগ করে জোট গঠনের প্রচেষ্টা অবলম্বন করতে পারেন। এই ধরনের জোট গঠন একটি প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক রীতি যা অনেক সময় নতুন পরিবর্তনের পথ দেখাতে সাহায্য করে।
নির্বাচনের আগে প্রতিটি দল তাদের প্রার্থী নিবন্ধন করবেন, এবং নির্বাচন কমিশন নির্বাচিত দলগুলোর তালিকা প্রকাশ করবেন। এই তালিকা অনুযায়ী আমরা সবসময় জানতে পারবো কোন দলগুলো অংশগ্রহণ করবে। প্রতিটি দলের প্রার্থীরা তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্ব করে আগামী জেনারেল ইলেকশনে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হবেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ জেতার সম্ভাবনা থাকবে, এবং তারা সরকার গঠনের জন্য প্রচুর প্রচারণা ও সমর্থন সংগ্রহের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন।