কেরালা হাসিনা ১৯৯৬ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন এবং তার শাসনামলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক প্রকল্প চালু হয়েছিল। একটি প্রধান প্রকল্প হল 'নেটওয়ার্ক ফর সোশ্যাল ইকোনমিক রিফরম' বা সামাজিক-অর্থনৈতিক সংশোধনের জন্য নেটওয়ার্ক, যা সরকারি প্রশাসন ও সংস্কারের কাজ সহজ এবং কার্যকর করার জন্য পরিকল্পিত ছিল। এটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রযুক্তি ও ইন্টারনেট সংযোগ বাড়ানোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল, যা মানুষের জীবনে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করেছিল।
তিনি শিক্ষার ক্ষেত্রেও অনেক উন্নয়নমূলক প্রকল্প চালু করেছিলেন। 'সাক্ষরতা অভিযান' একটি বড় উদাহরণ, যার মাধ্যমে দেশের শিক্ষার প্রবৃত্তিকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল দেশের সকল নাগরিককে লিখতে পড়তে শেখানো, যাতে তারা নিজেদের জীবন স্ব-নির্ভর করতে পারে। এছাড়াও, তিনি শিক্ষার অধীনে ইন্টারনেট এবং কম্পিউটার শিক্ষার বিস্তারে জোর দিয়েছিলেন যাতে দেশের তরুণ প্রজন্ম সমকক্ষভাবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে প্রতিযোগিতা করতে পারে।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হল 'অপারেশন সার্ভিট অভিযান' যা দেশের দরিদ্র ও সমস্যাগ্রস্ত মানুষদের যোগাযোগ সুবিধা, পথ-সেতু, স্বাস্থ্য সেবা এবং পানির সরবরাহের মান উন্নত করার জন্য পরিকল্পিত ছিল। এই অভিযানের মাধ্যমে অনেক প্রত্যাশী গ্রাম ও শহরের উন্নয়ন অর্জন করেছে। এছাড়াও, 'মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এম্পলয়মেন্ট গ্যারান্টি' অভিযানের মাধ্যমে গ্রামের মানুষদের চাকরির সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে দেশের অনেক অঞ্চলে কাজে লাগিয়েছে। এই অভিযানের মাধ্যমে গ্রামীণ অঞ্চলের মানুষদের জীবনযাপনের মান উন্নত হয়েছে।
কেরালা হাসিনার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সময় দেশের পরিবেশ সংরক্ষণের উপরও জোর দেওয়া হয়েছিল। 'গ্রীন ইন্ডিয়া' অভিযানের মাধ্যমে মৌসুমী গাছের রোপণ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সংরক্ষণের উপর জোর দেওয়া হয়েছিল। এই অভিযানের ফলে দেশের সব অঞ্চলেই পরিবেশ সম্পর্কিত সচেতনতা বাড়ে এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সংরক্ষণ নিশ্চিত করা হয়।