করোনা যাত্রী আইন বা মহামারীর সময় যাত্রীদের জন্য প্রযোজ্য নিয়মগুলো সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য তৈরি করা হয়। এই আইনগুলো মূলত যাত্রীরা স্থানান্তরের সময় করোনাভাইরাসের ছড়ানোর ঝুঁকি কমাতে এবং স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার মানদণ্ড অনুসরণ করতে বাধ্যতা করে। এই আইনগুলোতে থাকে প্রবেশের সময় কোভিড-১৯ সম্পর্কিত দশমার্ক, পোলিসি, মাস্ক পরা, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার, শারীরিক দূরত্ব রক্ষা এবং অন্যান্য সুরক্ষামূলক পদক্ষেপগুলো।
মহামারীর সময় যাত্রীদের জন্য নির্ধারিত আইন ও নিয়মগুলোর মধ্যে রয়েছে আগে থেকে কোভিড-১৯ টেস্টের ফলাফল সাব্মিশন, যাত্রা সময়ে সুরক্ষামূলক পোশাক (যেমন মাস্ক) পরা, বিমান, ট্রেন বা বাসের মধ্যে হাইজিনিক পরিবেশ রক্ষা, যাত্রীদের আগে থেকে সুস্থ থাকার জন্য পরামর্শ এবং অবশ্যই যাত্রা পরবর্তী কোনো কোভিড-১৯ সনাক্তকরণের ক্ষেত্রে কোয়ার্টিন অবস্থায় থাকার ব্যবস্থা। এই আইনগুলো স্থানীয় সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর দ্বারা সময়ের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করা হয় যাতে সবার সুরক্ষা নিশ্চিত হয়।
এই আইনগুলো প্রয়োগ করা হয় যাত্রীদের মধ্যে করোনাভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকিকে কমিয়ে আনার জন্য। মাস্ক পরা, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার এবং শারীরিক দূরত্ব রক্ষা এমন কিছু পদক্ষেপ যা প্রত্যক্ষ ও অপ্রত্যক্ষভাবে ভাইরাসের ছড়ানোকে কমিয়ে আনে। প্রবেশের সময় কোভিড-১৯ টেস্টের ফলাফল এবং কোয়ার্টিন প্রয়োজনীয়তা যাত্রীদের মধ্যে ভাইরাস প্রবেশের ঝুঁকিকে খুব কম করে দেয়। এছাড়াও, এই আইনগুলো স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রেসার কমিয়ে দেয় এবং যাত্রীদের নিজেদের সুস্থ থাকার জন্য উৎসাহিত করে।