দূতাবাসে চাকরি পেতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত থাকে। প্রথমত, আবেদনকারীকে একটি সেরা শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে। অধিকাংশ পদের জন্য একটি স্নাতক ডিগ্রি প্রয়োজন, এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, রাজনৈতিক বিজ্ঞান, অর্থনীতি, ইতিহাস, আইন বা সম্পর্কিত কোনো একটি বিষয়ে শিক্ষা থাকলে বেশি সুবিধা হবে। দ্বিতীয়ত, ভাষার দক্ষতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একজন অফিসার কোনো একটি বিদেশি ভাষায় দক্ষ হতে হবে, এবং অনেক সময় ইংরেজি ব্যতীত আরও একটি বিদেশি ভাষার জ্ঞান প্রয়োজন হয়। তৃতীয়ত, বিভিন্ন দক্ষতা যেমন নেতৃত্ব, সম্পর্ক নির্মাণ, সমাধান উদ্ভাবন, ও চিন্তাভাবনার যোগ্যতা থাকতে হবে। দূতাবাসের কর্মীদের অনেক সময় জটিল মামলাগুলো সমাধান করতে হয় এবং বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যক্তিদের সাথে কাজ করতে হয়।
চতুর্থত, প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একজন অফিসার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, দূতাবাস কার্যালয়, বা সরকারি সংস্থায় কাজ করা অভিজ্ঞতা থাকলে সেটা খুবই উপকারী হতে পারে। পঞ্চমত, দূতাবাসের চাকরিতে অনেক সময় বিদেশে থাকতে হয়, তাই একজন অফিসারকে বিদেশে থাকার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এছাড়াও, প্রার্থীকে স্বদেশের সাথে তার বিশ্বাসপাত্র সম্পর্ক থাকতে হবে এবং সরকারের নীতিমালা, সংস্কৃতি, ও বিভিন্ন সমস্যাসমূহ নিয়ে ভালোভাবে জানা থাকতে হবে। দূতাবাসে চাকরি পেতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সুরক্ষা পর্যালোচনা। হাজারদ্বারা প্রার্থীকে জাতীয় সুরক্ষার দিক থেকে পর্যালোচিত হতে হবে, এবং তার ব্যক্তিগত জীবন ও চরিত্র নিয়ে খুঁটিয়া বিবেচনা করা হয়। শেষ কথা, দূতাবাসে চাকরির জন্য একটি সাক্ষাতকার ও বিভিন্ন পর্যালোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত নির্বাচন হয়।